Ring Worm: দাদের সমস্যায় নাজেহাল হয়ে উঠেছেন? এই পদ্ধতিগুলো মেনে চললে দাদের নিরাময় সম্ভব…
প্রাথমিকভাবে কিছু ঘরোয়া টোটকাও দাদ নিরাময়ে ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
আপনার যেটা সুবিধা হবে তা হল অল্প সময়ের মধ্যেই আপনি দাদ বা চুলকানি থেকে কিছুটা মুক্তি বোধ করতে পারেন। দাদ নিয়ে খোরাক করার আগে আমাদের দাদ নিয়ে অনেক বেশি সচেতন হওয়া প্রয়োজন। কারণ আর কিছুই না, এই দাদ মারাত্মক ছোঁয়াচে।
এসব ক্ষেত্রে শুরুর দিকে সাধারণ চুলকানি মনে হলেও, খুব তাড়াতাড়ি এটা শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে কিছু ঘরোয়া টোটকাও দাদ নিরাময়ে ব্যবহার করে দেখতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনার যেটা সুবিধা হবে তা হল অল্প সময়ের মধ্যেই আপনি দাদ বা চুলকানি থেকে বেশ কিছুটা মুক্তি বোধ করতে পারেন। তাহলে, জেনে নেওয়া যাক দাদের মতো ভয়ঙ্কর রোগের হাত থেকে বাঁচতে আপনি কোন কোন ঘরোয়া টোটকা নিতে পারেন…
নিম পাতা:নিম পাতা যে জীবাণু বিনাশ করতে খুবই কার্যকরী সে কথা আমরা সবাই জানি। নিম পাতা বেটে যদি প্রতিদিন দাদের উপর লাগানো যায় তাহলে খুব তাড়াতাড়ি এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।
রসুন:
দু’-এক কোয়া রসুনের খোসা ছাড়িয়ে ধুয়ে থেঁতো করে দাদের উপরে নিয়ম করে লাগাতে হবে। রসুন যেহেতু যে-কোনও রকমের ফাঙ্গাল ইনফেকশন দূর করতে সক্ষম,থেঁতো করা রসুন দাদের উপরে লাগালে মূল থেকে দাদের দূর হবে।
কর্পূর:
কর্পূর যে শুধুমাত্র দাদ এবং ফাঙ্গাল ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে, দাদ যাতে শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে না পড়ে তাতে সাহায্য করে। এছাড়া দাদের একটা বিশ্রী দাগ থেকে যায়, নিয়মিত সংক্রামিত অংশে কর্পূর লাগালে দাদের দাগ মিলিয়ে যাবে।
হলুদ বাটা:
হলুদও অ্যান্টিসেপটিক এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল গুণে সমৃদ্ধ। হলুদ বাটার সঙ্গে জল মিশিয়ে দাদ দ্বারা আক্রান্ত শরীরের অংশে লাগান।
উচ্ছে পাতা:
শুনতে অবাক লাগলেও, উচ্ছে পাতা কিন্তু দাদের সমস্যা দূর করতে ঘরোয়া টোটকা। নিম পাতার মতো উচ্ছে পাতাও বেটে নিয়ে নিয়মিত দাদ সংক্রামিত অংশে লাগান। কয়েক দিনের মধ্যেই এই ফাঙ্গাল ইনফেকশন থেকে মুক্তি পাবেন।



Comments
Post a Comment