সারছে না চর্মরোগ দাদ!

 সারছে না চর্মরোগ দাদ!

ত্বকের ব্যাধি দাদ। চর্মরোগটি হয় 'ডারমাটোফাইট' নামে এক ছত্রাকের সংক্রমণে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় দাদকে বলা হয় 'টিনিয়া'। আগে কয়েক প্রকার ওষুধ খেলে আর মলম ক্ষতস্থানে লাগালেই সেরে যেত রোগটি। এখন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখিয়ে দামি ওষুধ খেয়ে নিয়মিত হরেক মলম লাগিয়েও দাদ বিনাশ করা যাচ্ছে না। এখন দাদ কেন সহজে নিরাময় হচ্ছে না- তা নিয়ে বিস্তর গবেষণার প্রয়োজন বলে মনে করছেন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞরা।
আগে বড়জোর ১০ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে ব্যাধিটা জটিল রূপ নিত। এখন বেশিরভাগ রোগীর কাছে দাদ এক ভীতির নাম। রোগটি ভয়ংকর ছোঁয়াচে হওয়ায় তা ছড়িয়ে পড়ছে। ডায়াবেটিস ও থাইরয়েডের সমস্যায় ভোগা রোগীর ৪৫ শতাংশই আক্রান্ত হচ্ছেন এই চর্মরোগে।
সরকারিভাবে দেওয়া ওষুধেও মিলছে না সমাধান, হারাচ্ছে আস্থা :সরকারিভাবে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা দাদ রোগীদের দুই ধরনের ওষুধ দেওয়া হয়। এগুলো হলো ক্যাপসুল ফ্লুকোনোজল ও ক্রিম ওয়াইটফিল্ড ওয়েন্টমেন্ট। শুরুতে রোগীকে ১৫ দিনের জন্য দেওয়া হয় এসব ওষুধ। এতেও কাজ না হলে তা আবার এক মাস প্রয়োগ করে দেখা হয়। তবে কার্যকারিতা কমছে এসব ওষুধেরও। অনেক রোগীর ক্ষেত্রে এই ফর্মুলা প্রয়োগ করে আশাব্যঞ্জক সাড়া পাচ্ছেন না চিকিৎসকরা। এতে আস্থা হারাচ্ছে বিনামূল্যের এসব সরকারি ওষুধ।
বেশি ভুগছেন বাসাবাড়িতে কর্মরত নারীরা :চট্টগ্রাম রেলস্টেশন এলাকার রোজিনা ইসলাম প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সাত বাড়িতে কাজ করেন। পাঁচ বছর ধরে এই রোগে ভোগা রোজিনা বলেন, 'দাদের চুলকানিতে সীমাহীন কষ্টে আছি। এ পর্যন্ত বেশ কয়েকবার ডাক্তার দেখিয়ে অনেক রকম ওষুধ খেয়েছি; লাগিয়েছি মলমও। কিছুতেই কমছে না দাদ।' মোহাম্মদপুর বস্তির বাসিন্দা আকলিমা বলেন, 'নিজে আক্রান্ত হওয়ার পর মেয়েও এখন ভুগছে। কয়েক রকম ওষুধ খেয়েও দু'জনের কারও দাদ নিরাময় হচ্ছে না।' হাটহাজারীর বাসিন্দা লায়লুন নাহার বলেন, 'বাড়ির কাছাকাছি চিকিৎসা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। অনেক কষ্ট করে ডাক্তার দেখাতে যেতে হয় শহরে। এভাবে কত দিন সম্ভব? দাদ আমার মতো অনেকের জন্য অভিশাপ।'
কেন্দ্রীয় চর্ম ও সামাজিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ইনচার্জ ডা. সঞ্জয় প্রসাদ দাশ বলেন, 'আগে রোগীকে প্রথম পর্যায়ে ১৫-৩০ দিনের একটি চিকিৎসা পরিকল্পনা করা হতো, যেখানে ক্যাপসুলের পাশাপাশি দেওয়া হতো কয়েক রকম মলম। দ্বিতীয় ধাপে এটির সঙ্গে যুক্ত করা হতো একটি ২৫০ মিলিগ্রামের ট্যাবলেট, সঙ্গে চার-পাঁচ ধরনের মলম। শেষ ধাপে কয়েক প্রকার মলমের সঙ্গে দেওয়া হতো ক্যাপসুল ও ট্যাবলেট। তিন পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে ব্যবস্থাপত্র মানলে দাদ ভালো হয়ে যেত। তবে এখন আর এই প্রক্রিয়ায় আর দাদ ভালো হচ্ছে না।'
চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সুরজিত দত্ত বলেন, 'দাদ নির্মূলে ওষুধের কার্যকারিতা হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি দুশ্চিন্তার। দীর্ঘদিন ধরে অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ খেলে দাদ নির্মূলে ব্যবহূত ওষুধের কার্যকারিতা অনেক সময় কমে যায়।' সংশ্নিষ্টদের মতে, চট্টগ্রামে চর্মরোগী বাড়লেও বাড়ছে না চিকিৎসার সহজলভ্যতা। বেশি আক্রান্ত হচ্ছে গ্রামের মানুষ। এ জন্য শহরের চেয়ে গ্রামের দিকে নজর দিতে হবে বেশি।
=++এত সব ভয়ঙ্কর খারাপ খবর এর মাঝে সু- খবর নিয়ে এসেছে Health Care 24 দাউদের স্থায়ী সমাধান। এখন থেকে ১০০ ভাগ রোগী সুস্থ হবে ইনশাআল্লাহ। কথা নয় কাজে প্রমান হবে, বিফলে মুল্য ফেরত। খেয়াল রাখুন এই পেজে।
May be an image of 2 people, hospital and text that says 'NE STAY SAFE HEALTH CARE YOUR HEALTH OUR PASSION'

Comments

Popular posts from this blog

Healt Care 24